
পিলু
Available in Bengali
'পিলু, লোকগানপ্রেমী এক গায়িকা, তার বাবার ছাত্র শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী আহিরের সংস্পর্শে আসে যাকে সে আগে কখনও দেখেনি। দুজনের সঙ্গীতের মাধ্যম আলাদা হলেও, ভালবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হয় তারা।
Director & Cast
TV Show Details
সুরমণ্ডল-এ গান গেয়ে সকলকে অবাক করে পিলু
শিবনাথের দলের সাথে গান গাইতে যেতে চায় পিলু। কল্যাণী বাধা দিলে তাকে বোঝায় পিলুর দাদু। কল্যাণীকে সে বলে আদিত্যর মতোই পিলুর রক্তে রয়েছে গানের নেশা। সুরমণ্ডলে গিয়ে লোকগান গেয়ে সবাইকে অবাক করে দেয় পিলু।
সুরমণ্ডল-এ গান গেয়ে সকলকে অবাক করে পিলু
সুরমন্ডল-এ ধুনুচি নাচ নাচে পিলু
শিবনাথের দলকে টাকা দিতে গেলে, পিলু আহিরকে জানায় ভিক্ষা তারা নেবেনা। অন্নপূর্ণা উদয়কে বলে গানের দলকে সুরমন্ডল-এ ডেকে আনতে। অন্নপূর্ণার কথায় সুরমন্ডল-এ ধুনুচি নাচ নাচে পিলু আর ঢাক বাজায় উদয়।
সুরমন্ডল-এ ধুনুচি নাচ নাচে পিলু
সানাইঝুড়ি পৌঁছায় আহির
কল্যাণী পিলুকে ফোন করলে, সেই ফোন ধরে আদিত্য। সানাইঝুড়ি ফিরে পিলু তার মাকে আর দাদুকে জানায় সে পণ্ডিত আদিত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়েছিল। এদিকে সুরমন্ডল কিনতে রাতে সানাইঝুড়ি পৌঁছায় আহির।
সানাইঝুড়ি পৌঁছায় আহির
চন্দননগর গান শিখতে যেতে চায় পিলু
রাত হয়ে গিয়েছে, কিছু মদ্যপ ছেলে পিলুর পিছু নিলে, লাঠি দিয়ে প্রহার করে তাদের শায়েস্তা করে পিলু। পিছন থেকে একজন পিলুর উপর আক্রমণ করতে গেলে, তাকে মারে আহির। পিলু আহিরের সাথে চন্দননগর গান শিখতে যেতে চায়।
চন্দননগর গান শিখতে যেতে চায় পিলু
নেশার ঘোরে পিলুকে আহিরের বউ ভাবে অন্নপূর্ণা
পিলুকে নিয়ে চন্দননগরের পথে রওনা দেয় আহির। মাঝপথে বাস থেকে নেমে গান গেয়ে ঘুরে বেড়ায় পিলু। নেশার ঘোরে পিলুকে আহিরের বউ ভেবে দুধ-আলতার বাটি দরজার সামনে রাখে অন্নপূর্ণা। আলতা পায়ে সুরমন্ডলে ঢোকে পিলু।
নেশার ঘোরে পিলুকে আহিরের বউ ভাবে অন্নপূর্ণা
পিলুর গান শুনে মুগ্ধ হয় আদিত্য
সুরমন্ডলের স্নানঘরে পা ধুতে গিয়ে হিমশিম খায় পিলু। রঞ্জা পিলুকে বাড়ি ফিরে যেতে বললে, তার বিরোধিতা করে আহির। আদিত্য পিলুর গান শুনে মুগ্ধ হয় এবং তাকে গান শেখানোর দায়িত্ব দেয় তার প্রিয় শিষ্য আহিরকে।
পিলুর গান শুনে মুগ্ধ হয় আদিত্য
পার্টির আয়োজন করে রঙ্গন
অন্নপূর্ণা বলে, পিলু তার ঘরে শোবে। রঙ্গনকে রাতে ঘরে পার্টির ব্যবস্থা করতে বলে অন্নপূর্ণা। ওদিকে আহির জানায় সে ভোর চারটের সময় পিলুকে প্রথম তালিম দেবে। পার্টিতে এসে হাজির হয় রঙ্গনের বন্ধু সায়ন।
পার্টির আয়োজন করে রঙ্গন
পিলুকে শাস্তি দেয় আহির
ঋজুলা অন্নপূর্ণার বিরোধিতা করলে, নিজের মা'কে সমর্থন করে আদিত্য। এদিকে প্রথম দিন তালিমে আসতে দেরী করলে, পিলুকে শাস্তি দেয় আহির। পিলুর খাওয়াদাওয়ার প্রতি আহিরকে যত্ন নিতে বলে আদিত্য।
পিলুকে শাস্তি দেয় আহির
রঞ্জাকে নানা স্বাদের চা বানিয়ে দেয় পিলু
ছড়া শুনিয়ে আহিরের হাঁচি থামায় পিলু। অন্নপূর্ণাকে পোড়া মাংস ও চালের গুড়ির রুটি খাওয়াবে বলে সে। পিলুকে খাওয়া শেষ করে বাজনার ঘরে ফিরে যেতে বলে আহির। রঞ্জা চা খেতে চাইলে নানা স্বাদের চা বানিয়ে আনে পিলু।
রঞ্জাকে নানা স্বাদের চা বানিয়ে দেয় পিলু
পিলুকে চড় মারে রঞ্জা
শাস্তি স্বরূপ ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে পরিত্যক্ত বাদ্যযন্ত্র সারিয়ে প্রশংসিত হয় পিলু। পরদিন ভোর চারটেয় আহিরের সাথে শুরু হয় পিলুর রেওয়াজ। পিলুর কণ্ঠে মুগ্ধ আদিত্য। ক্ষোভ ও ঈর্ষায় পিলুকে চড় মারে রঞ্জা।
পিলুকে চড় মারে রঞ্জা
অজ্ঞান হয়ে যায় পিলু
আহির পিলুর সাথে রঞ্জার তুলনা করলে, দুঃখ পায় রঞ্জা। পিলুর গায়ে হাত তোলে সে। ওদিকে উদয়কে গাছ থেকে কৎবেল পেড়ে দেয় পিলু। কৎবেল মাখার অপরাধে পিলুকে শাস্তি দেয় আহির। বৃষ্টিতে ভিজে অজ্ঞান হয়ে যায় পিলু।
অজ্ঞান হয়ে যায় পিলু
আহিরকে শাসন করে সোহিনী
ঋতু রঞ্জার প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করলে সোহিনী আহিরকে শাসন করে। নিজের ভুল বুঝতে পারে আহির। পিলুর সেবা করে সোহিনী। আহির রঞ্জাকে বোঝানোর চেষ্টা করে। রঞ্জা নিজের জেদে অনড় থাকে। সারারাত ঘুমাতে পারে না আহির।
আহিরকে শাসন করে সোহিনী
সুরমন্ডলে আসে সব্যসাচী
সুরমন্ডলে আসে আহিরের বাবা সব্যসাচী। বসুমল্লিক ঘরানার হয়ে আহিরকে গান গাওয়ার প্রস্তাব দেয় সব্যসাচী। আহির সেই প্রস্তাবে রাজি হয়না। রাগে জোরে জোরে তানপুরা বাজাতে গিয়ে হাত কেটে যায় আহিরের।
সুরমন্ডলে আসে সব্যসাচী
পিলুকে গ্রামে ফিরে যেতে বলে ঋজুলা
পিলুর আনা খাবার আহিরকে খেতে দেখে, কষ্ট পায় রঞ্জা। রঞ্জা ঋজুলাকে জানায়, পিলু নিজের পিতৃপরিচয় জানেনা। ঋজুলা পিলুকে তার গ্রামে ফিরে যেতে বললে, অন্নপূর্ণা তার বিরোধিতা করে।
পিলুকে গ্রামে ফিরে যেতে বলে ঋজুলা
সর্বসমক্ষে ঋজুলাকে ধমকায় আদিত্য
পিতৃপরিচয়ের অভাবে ঋজুলা পিলুকে তাড়িয়ে দিতে চাইলে ক্ষুব্ধ ঠাম্মিও পিলুর সাথে গৃহত্যাগ করতে চায়। ঠাম্মি ও পিলুর সাথে দুর্ব্যবহার করার জন্য সর্বসমক্ষে ঋজুলাকে ধমকায় আদিত্য। পিলু কাঁদলে তাকে বোঝায় আহির।
সর্বসমক্ষে ঋজুলাকে ধমকায় আদিত্য
রঞ্জার জন্মদিনে তার পছন্দের গান গাইবে আহির
রঞ্জাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায় পিলু। রঞ্জা পিলুকে জামাকাপড় ইস্ত্রি করতে দেয়। রঞ্জাকে ভাল মানুষ হয়ে ওঠার আশীর্বাদ করে অন্নপূর্ণা। আহির রঞ্জার জন্মদিনে তার পছন্দের গান গাইবে বললে, খুশি হয় রঞ্জা।
রঞ্জার জন্মদিনে তার পছন্দের গান গাইবে আহির
পিলুর উপর নেকলেস চুরির অপবাদ
রঞ্জা পিলুকে ভৃত্যের ন্যায় খাটালে তাকে কথা শোনায় ঋতজা। অনুষ্ঠানে আহিরের গানে পিলু নাচলে সকলে পিলুর প্রশংসা করে। ঈর্ষান্বিত রঞ্জা ও ঋজুলা পিলুর ওপর নেকলেস চুরির মিথ্যারোপ আনে। নেকলেস খুঁজে আনে আহির।
পিলুর উপর নেকলেস চুরির অপবাদ
গুরুগৃহ ত্যাগ করে পিলু
আহির ও আদিত্য, দুই গুরুকে প্রণাম জানিয়ে মায়ের সম্মানার্থে গুরুগৃহ ত্যাগ করে পিলু। আদিত্য ও তার মাকে অপমান করে ঋজুলা। আদিত্যর হয়ে ঋজুলার সাথে বচসা করে ঋতজা। শিষ্যের এই অপমান দেখে রীতিমতো লজ্জিত আদিত্য।
গুরুগৃহ ত্যাগ করে পিলু
পিলুকে নিতে আসে আহির
বাড়ি ফিরে আসে পিলু। ওদিকে আহির রঞ্জার ভুল বুঝতে পেরে তাকে সরাসরি প্রশ্ন করে। কল্যাণী বুঝতে পারে পিলু বড়সড়ো কোনও ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসেছে। পিলুকে সানাইঝুড়িতে নিতে আসে আহির।
পিলুকে নিতে আসে আহির
পিলুকে ফিরিয়ে আনতে সানাইঝুড়িতে আহির
সানাইঝুড়িতে পৌঁছে আহির পিলুকে চন্দননগর ফিরতে অনুরোধ করলেও নারাজ পিলু। পিলু জানায় সে তার গুরুকে সম্মান করে ঠিকই কিন্তু মায়ের সম্মানহানি সে মেনে নিতে পারবে না। এদিকে নির্জনে আহিরকে অপহরণ করে মাওবাদীরা।
পিলুকে ফিরিয়ে আনতে সানাইঝুড়িতে আহির
মাওবাদী গোষ্ঠীর নেতা লালাজী অমায়িক হুমকি
জঙ্গলে মাওবাদীদের ডেরায় বন্দি আহির। মাওবাদী গোষ্ঠীর নেতা লালাজী নিজেকে বিপ্লবী দাবি করে। অমায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে আহিরকে হুমকি দেয় লালাজী। ঘোমটার আড়ালে গাঁয়ের মহিলার ছদ্মবেশে সেখানে পৌঁছায় পিলু।
মাওবাদী গোষ্ঠীর নেতা লালাজী অমায়িক হুমকি
আহিরকে বাঁচাতে মাওবাদীদের ডেরায় যায় পিলু
আহিরকে বাঁচাতে মাওবাদীদের ডেরায় যায় পিলু ও শিবনাথের দল। মাওবাদীদের চোখে লঙ্কার গুঁড়ো ছুঁড়ে মারে তারা। পিলুর পায়ে কাঁটা ফুটে গেলে তাতে কাপড় জড়িয়ে ব্যান্ডেজ করে দেয় আহির। সানাইঝুড়িতে ফেরে আহির ও পিলু।
আহিরকে বাঁচাতে মাওবাদীদের ডেরায় যায় পিলু
বীরত্বের পুরস্কার পায় পিলু
আহিরকে উদ্ধার করে পিলু। চন্দননগর ফেরার জন্য পিলুকে আবার বোঝায় আহির। এদিকে পরেরদিন বীরত্বের পুরস্কার নিয়ে পিলুর বাড়িতে হাজির পুলিশ অধিকর্তা। আহিরের হাত দিয়েই পিলুর হাতে তুলে দেওয়া হয় বীরত্বের পুরস্কার।
বীরত্বের পুরস্কার পায় পিলু
আদিত্যকে রঞ্জা-আহিরের বিয়ের প্রস্তাব দেয় ঋজুলা
আহিরকে টুসু বিসর্জন দেখে ফিরতে বলে কল্যাণী। পিলু ফিরবে না বলে আহির তখনই চন্দননগরের পথে রওনা দেয়। ওদিকে রঞ্জা তার আর আহিরের বিয়ের ব্যাপারে ঋজুলাকে আদিত্যর সাথে কথা বলতে বলে।
আদিত্যকে রঞ্জা-আহিরের বিয়ের প্রস্তাব দেয় ঋজুলা
পিলু-আহিরের বিবাহ নিয়ে হল্লা শুরু হয়
টুসু উৎসবে আপ্যায়ণের মালা ক্ষুব্ধ আহির ছুঁড়ে ফেললে, সেই মালা পিলুর গলায় পড়ে। পিলু-আহিরের বিবাহ হয়েছে বলে হল্লা করে গাঁয়ের লোক। আহিরের সাথে গাঁয়ের লোকের বচসা বাধে। ঘাবড়ে বজরঙ্গবলির মন্দিরে দৌড়ায় পিলু।
পিলু-আহিরের বিবাহ নিয়ে হল্লা শুরু হয়
Details About পিলু TV Show :
| Movie Released Date | 10 Jan 2022 |
| Genres |
|
| Audio Languages: |
|
| Cast |
|
| Director |
|

